Warning: Declaration of tie_mega_menu_walker::start_el(&$output, $item, $depth, $args, $id = 0) should be compatible with Walker_Nav_Menu::start_el(&$output, $item, $depth = 0, $args = NULL, $id = 0) in /home/dainikso/public_html/wp-content/themes/jarida-goldtheme.net/functions/theme-functions.php on line 1854
অজিদের হারানোর পর মুশফিক বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ। | Sobujbangla.com

অজিদের হারানোর পর মুশফিক বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ।

নেই তামিম ইকবাল, নেই লিটন দাস, নেই মুশফিকুর রহিম। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় টি-২০ সিরিজে দলের তিন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে পায়নি বাংলাদেশ। এরমধ্যে, মুশফিকুর রহিমের অনুপস্থিতি ক্রীড়াপ্রেমী তো বটেই কোচ-অধিনায়ক-সহখেলোয়াড় সবাইকে হতাশ করেছে। কোয়ারেন্টাইনের ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়ার মাত্রাতিরিক্ত কঠোর অবস্থানের কারণেই খেলতে পারছেন না মুশফিক। মাঠে না থাকলেও ঠিকই ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্ত যে দলের সাথেই ছিলেন মুশি সেটি বোঝাই গেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম জয়ের সাথে সাথে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেন- আলহামদুলিল্লাহ। মঙ্গলবার রাতে ম্যাচ জয়ের পর মিস্টার ডিপেন্ডেবল লিখেন, ‘হোয়াট অ্যা ফাইটব্যাক। হোয়াট অ্যা শো অফ ক্যারেক্টার। আলহামদুলিল্লাহ।’ এদিন ম্যাচের শুরু থেকে উইকেট ধরে খেললেও পরবর্তীতে রানের চাকা সেভাবে সচল করতে পারেনি বাংলাদেশ। স্লো উইকেটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে সাকিব-আফিফরা করেছেন মোটে ১৩১ রান। তবে মিরপুরের পিচে আজ ব্যাট করা যে সহজ ছিল না সেটি বোঝাই যাচ্ছিল। পাশাপাশি, আউটফিল্ড ছিল মন্থর। বল করতে নেমে নাসুম হোসেনের স্পিন ভেলকিতে ১০৮ রানেই অজিদের অলআউট করে বাংলাদেশ। নাসুম ৪ ওভারের মাত্র ১৯ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শুরুতেই মারণকামড় দেয় টাইগাররা। ম্যাচের প্রথম বলেই প্রথম উইকেট, দ্বিতীয় ওভারে দুই এবং তৃতীয় ওভারে তিন নম্বর উইকেটের হয় পতন। এরপর একটিবারের জন্যও ম্যাচের গ্রিপ হাতছাড়া করেনি বাংলাদেশ। এমন জয়ে মুশি তো খুশি হবেনই। তারওপর অজিদের প্রতি বিরাগের যথেষ্ট কারণ তো আছে।মুশফিকের খেলার ব্যাপারে আগ্রহ জানিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার মতামত জানতে চেয়েছিল বিসিবি। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া অত্যন্ত কঠোরতার সাথে জানিয়ে দেয় তাদের না-বোধক সিদ্ধান্ত। মা–বাবার অসুস্থতার কারণে ওয়ানডে ও টি–টোয়েন্টি সিরিজ না খেলে ১৪ জুলাই রাতে জিম্বাবুয়ে থেকে দেশে ফিরে আসেন মুশফিকুর রহিম। পরবর্তীতে তার মা ও বাবার শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটায় মুশফিক চেয়েছিলেন দলের সাথে বায়ো বাবলে ফিরে অস্ট্রেলিয়া সিরিজটা খেলতে। কিন্তু করোনাকালে হতে যাওয়া এই সিরিজকে ঘিরে অস্ট্রেলিয়ার চাওয়া ছিল, তারা ঢাকায় পা রাখার ১০ দিন আগে থেকে বাংলাদেশ দল এবং আম্পায়ার, ম্যাচ রেফারিসহ সংশ্লিষ্টদের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এ কারণেই জিম্বাবুয়ে সফর থেকে দেশে ফিরে সরাসরি টিম হোটেলে বায়ো বাবলে ঢুকে যায় বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। কিন্তু জিম্বাবুয়ে সিরিজে টেস্ট খেলার পর দেশে ফিরে এসে বায়ো বাবল থেকে বেরিয়ে যাওয়া মুশফিকের প্রয়োজন ছিল অজিরা বাংলাদেশের পৌঁছানোর দশ দিন আগেই কোয়ারেন্টাইন শুরু করা। কিন্তু সময়ের অভাবে তা করা হয়নি। শুধু মুশফিকের কোয়ারেন্টাইনে ছাড় দেয়া কিংবা যেদিন থেকে কোয়ারেন্টাইন করবেন সেটি বিবেচনা করে পরবর্তী ম্যাচগুলো খেলতে দেয়ার বিসিবির অনুরোধ প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় ঘরের মাঠে দর্শক হয়েই থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটারকে। তাই অজিদের টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবার হারানোর পর দলে না থেকেও মুশফিকুর রহিমের উচ্ছ্বাস কারো থেকে কম হওয়ার কথা নয় বৈকি। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*